খুঁজি মুক্তির দিশা


সেহাঙ্গল বিপ্লব আল মোজাদ্দেদি

প্রয়ভাই-বন্ধুগণ আসুন, অধৈয্য না হয়ে জাহেরি চোখদুটি বন্ধ রেখে কিছুক্ষণ ধ্যান করি এবং ধ্যানের মাধ্যমে খুঁজি সত্যের মিলনপথে মুক্তির দিশা! মহান আল্লাহর কোনো সৃষ্টি বা নিয়ামতকেই আমরা কেউই অস্বীকার করতে পারবো না। এ ব্যাপারে আল্লাহতায়ালা সুরা আর রাহ্মান-এ বত্রিশবার শুধু নিয়ামতের কথাই উল্লেখ করেছেন। এছাড়াও বিভিন্ন আয়াতে কারীমায় বান্দার প্রতি প্রশ্ন করেছেন- ‘তোমরা আমার কোন কোন নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?’ হে আল্লাহ! আমরা মিসকীন গুনাহগার বান্দা আপনার কোনোকিছুকেই অস্বীকার করার শক্তি আমাদের নেই। আপনি আদেশ করেছেন- ‘তোমরা মানুষে মানুষের গীবত কর না। হিংসা-বিদ্বেষ কর না।’ আপনি সত্যের পথে শান্তির বাণী প্রচারের জন্য কালেকালে নবী-রাসুলসহ অলিআল্লাহদের পাঠিয়েছেন তাই আমরা আপনার সত্য পথে চলার জন্য কামেল পীরওমুর্শিদের হাতে হাত রেখে বাইয়াত নিয়েছি, আপনি আমাদের হেদায়েদ দান করে কবুল করুন। আমরা সাক্ষি দিচ্ছি যে, ফার্মগেট কুতুববাগ দরবার শরীফ সত্যবান তথা কামেল- মোকাম্মেল পীরও মুর্শিদের দরবার, এ দরবারে কখনো বে-শরা কাজ কিংবা গীবত-আলোচনা করা হয় না। এবং এখানে আধ্যাত্মিক সাধনায় দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী এক সমাজ সংস্কারক যিনি আপনারই মনোনীত বন্ধু-অলিআল্লাহ শাহসূফী আলহাজ মাওলানা হযরত সৈয়দ খাজাবাবা কুতুববাগী পীর কেবলাজান। তিনি কুতুববাগ দরবার শরীফ থেকে ‘আত্মশুদ্ধি, দিল-জিন্দা ও নামাজে হুজুরি’ এই অমূল্য শিক্ষা দান করে আসছেন। তাঁর এ আধ্যাত্মিক দীক্ষাপীঠে ভর্তি হয়ে যাঁরা ছাত্র বা শিষ্য হয়েছি তাঁরা বিশ^াস করি, তর্ক দিয়ে আল্লাহ ও রাসুল (সঃ)-এর মহব্বত হাসিল করা সম্ভব না, কেবল সীমাহীন বিশ্বাসের মধ্য দিয়েই তা অর্জন করা সম্ভব। তর্কবাদীদের তরী শুকনায় ডুবে আর বিশ্বাসীদের তরী পাহাড় দিয়েও চলে! সবকিছুর মর্মমূলে কায়মনো বাক্যে বিশ্বাসই আসল। যার ঈমান দুর্বল তার আমলও দুর্বল। মহান আল্লাহর রাসুলকে যারা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করে অন্তরের অন্তস্থল থেকে ভালোবাসেন, তারাই নায়েবে নবী অর্থাৎ জামানার পীর-মাশায়েখদের বিশ্বাস করেন এবং ভালোবাসেন। শুধুমাত্র তারাই পীরপ্রথাকে অবিশ্বাস করেন যাদের শরীরে ইয়াজিদী আর ওহাবী-নজদীর রক্তের ধারা বহমান। কারণ আব্দুল ওয়াহাব নজদী রাসুল (সঃ) কিংবা তাঁর আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতকে বিশ্বাস করতে চান না, আর সে কারণেই তাদের অন্তরে মায়া মহব্বতের চেয়ে ক্ষিপ্রতা, পরনিন্দা, প্রতারণা, লোক দেখানো ইবাদত স্বভাবগত বৈশিষ্ট। মহান আল্লাহতায়ালা আলিমুল গায়েব তিনি সর্বজ্ঞ এবং সবজান্তা।


আল্লাহতায়ালা মানুষ সৃষ্টির আগে প্রকৃতির এ অপার লীলাভূমি সৃষ্টি করেছেন। সৃষ্টি করেছেন জীব-জন্তু, কীটপতঙ্গ ইত্যাদি। যেমন বাড়িতে কোনো নতুন অতিথি আগমনের আগেই বাড়িঘর পরিপাটি করে সাজানো গোছানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়, তেমনই পৃথিবীতে আদিপিতা আদম (আঃ) ও মা হাওয়া (আঃ) কে পাঠানোর আগেই বৈচিত্রময় সুন্দর পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন। এবং সুচারুভাবে বিশ্ব প্রকৃতির এমন মনোরম শোভা সৃষ্টি করেছেন। মাখলুকের জন্য অফুরন্ত খাদ্য ভা-ার সৃষ্টি করেছেন। প্রকৃতির দিকে তাকালেই দেখতে পাই আশি^নের নীলাকাশে পেঁজা পেঁজা তুলোর মতো রাশিরাশি মেঘমালার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে চলা, সে এক অপূর্ব নয়নাবিরাম দৃশ্য। কিংবা শেষ বিকেলে গোধুলির রাঙা আকাশের যে অপরূপ শৈল্পিক রূপরেখা দেখে কোমল হৃদয়ে দোলা দিয়ে যাবেই তখন মনের অজান্তেই উচ্চারিত হয়, আহ্! আকাশে কী দারুণ দৃশ্যের অবতারণা সৃষ্টি করেছেন মহান আল্লাহতায়ালা! জাগতিক কোনো শিল্পীর তুলিতে এমন রূপ বৈচিত্র ফুটিয়ে তোলা কখনোই সম্ভব না। রংধনু তার মোহনীয় রঙের আবির ছড়িয়ে জেগে ওঠে, এ সবই মহান আল্লাহতায়ালার ইশারা ও কুদরতের প্রকাশ মাত্র। আবার বৈশাখ মাসের রুদ্র খরতাপে সেই মেঘমালায় ভয়ঙ্কর রূপ সৃষ্টি হয়, সাদা মেঘ তখন আর সাদা থাকে না, কালো দৈত্যের মতো রূপ ধরে গর্জন করে গগন বিদারী। মেঘে-মেঘে ঘর্ষণ লেগে বিজলি চমকায়! সে এক ভয়ঙ্কর অবস্থার কথা সবার জানা।


আধুনিক বিজ্ঞানের গবেষণায় রংধনুর উৎস কীভাবে তা ব্যাখ্যা করেছেন যে, পানিতে মেঘের প্রতিফলন থেকে রংধনু জাগে। তবে বিজ্ঞানের বস্তুবাদী গবেষণার মাধ্যমে মানুষের জীবন-যাপনের উন্নতি ও চলাচলের নানান কলা-কৌশল আবিষ্কার করেছেন ঠিক। কিন্তু কোনো কোনো ক্ষেত্রে ক্ষতির দায়কেও তাঁরা অস্বীকার করতে পারবেন না, যেমন আগ্নেয়াস্ত্র বা গোলাবারুদ। কিন্তু আল্লাহতায়ালার সৃষ্টিতে চির কল্যাণ আর সুন্দরের হাতছানি ছাড়া অমঙ্গল বা ক্ষতির কিছু নেই। পৃথিবীতে যদি এ ধরণের মারণাস্ত্র তৈরি না হতো তবে পৃথিবীটা সবার জন্য স্বর্গভূমি হতে পারতো। মহান আল্লাহতায়ালা শান্তির বাণী দিয়ে দয়াল নবী (সঃ)কে সত্য সরল পথের কা-ারী ও রহমতের ভা-ার করে পাঠালেন। হাজার হাজার বছর ধরে সে পথেরই শিক্ষা-দীক্ষা ও আদর্শকে অনুসরণ করছেন বুর্জুগাণে দ্বীন বা জামানার হক্কানী পীর মাশায়েখগণ এবং তাঁরা সাধারণ মানুষকে তাঁদের দেখানো পথ ও মতকে অনুসরণ করার আহ্বান জানাচ্ছেন। আমরা এ জন্যই তাঁদের পথ অনুসরণ করবো যে, তাঁরা মানুষের অদেখা মরা কলবে আল্লাহর জাতপাক নামের জিকির জারি করিয়ে সুপথে, সুহালে থাকার ব্যবস্থা করে দিতে পারেন। তাঁরা জামানার হাদী (হেদায়েত হওয়ার জন্য সুপরামর্শ দানকারী), মোজাদ্দিদ (সমাজ ও মানুষের নফসের সংস্কারক), পীরে-কামেল বা মুর্শিদে মোকাম্মেল। এলমে তাসাউফ বা সূফীবাদ তথা সূফীজম যে যা-ই বলি না কেন সকল মানুষের জন্য এ পথের রীতি-নীতি বা আদর্শকে জানা ও মেনে চলার বিকল্প নেই। কারণ মৃত্যু খুবই নিকটে কখন যেন প্রাণভ্রোমরা উড়ে যায়, সে একবার উড়ে গেলে কি আর ফিরবে? তাই সময় থাকতে সৎ-সাধনার গান গেয়ে চলাই সময়জ্ঞনসম্পন্ন মানুষের প্রধান কাজ ও ধর্ম। অনেক মানুষ কথায় কথায় বলেন, ইসলাম ধর্মে সূফীবাদ বলে কিছু নেই! এ ধরণের আত্মঘাতী কথাকে কেউ কেউ বিশ্বাসও করেন। লা-মাযহাব নামে তথাকথিত একটি দল আছে তাদের কথাবার্তায় জাহান্নামের তাপ পাওয়া যায়, আবার তাদের সঙ্গে তাল মেলানো আরো একটি দল ওহাবী-নজদীরা উভয়ে সমগোত্রের অনুসারি। এদের মধ্যে কোমলতা নেই, শুধু উগ্রতা, কঠোরতা আর জাহান্নামী প্রভাব বিস্তারের কূট-ষড়যন্ত্র।

আমাদের জানা দরকার যে, প্রধান ছয়টি মাযাহাবের অর্ন্তভুক্ত চারটি তরিকাই প্রসিদ্ধ তরিকা, যে তরিকাগুলোতে হক্কানী পীর-মুর্শিদী-মুরিদী (আশেক-মাশুক) প্রথা চলমান এবং এ ধারা আল্লাহর আদেশে অব্যহত থাকবে কেয়ামত পর্যন্ত। কিন্তু লা-মাযহাবীরা এ প্রথাকে অস্বীকার করে নিজস্ব মনগড়া মতবাদ ধর্মভীরু মুসলমানদের কাছে প্রচার করছেন, যা একেবারেই কোরআন-হাদিসের বিরুদ্ধাচারণ। কোরআন, হাদিস, ইজমা ও কিয়াসের আলোকে কামেলপীর-মুর্শিদগণ ইসলামের সত্য তরিকার যে বাণী মানুষের দ্বারে দ্বারে, কানে কানে পৌঁছে দিতে আল্লাহতায়ালার কাছে ওয়াদাবদ্ধ সে বিষয়টিই তারা মানতে নারাজ। তারা মনে করেন কারবালায় হযরত হোসাইন (আঃ)কে নির্মমভাবে হত্যার মধ্যদিয়ে তারাই বুঝি ইসলামের খেদমত করছেন! অতএব তারা যা বলবেন মুসলমানদের তা-ই বিশ্বাস করতে হবে। আসলে ওইসব মুশরিক কাফেররা জানতেন না যে, হযরত হোসাইন (আঃ) বেঈমান মুনাফিক ইয়াজিদ বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধের ময়দানে নামার আগেই তাঁর শিশুপুত্র হযরত জয়নুল আবেদীনের সিনাকে নিজের সিনা মোবারকের সঙ্গে চেপে ধরে, এলমে তাসাউফের অমূল জ্ঞান ভা-ার প্রবেশ করিয়ে, দুনিয়ার মানুষকে হেদায়েতের জন্য গচ্ছিত রেখে গেছেন। যে জ্ঞান পৃথিবীর কোনো বই-কিতাবে নেই। অথচ আল্লাহর খাস আধ্যাত্মিক এ জ্ঞানকে বাতিলপন্থিরা বিশ্বাস করতে চান না। এক সময়ের মওদুদী, খারেজী দলের অর্ন্তভূক্তরাই আজ ভিন্ন ভিন্ন রূপে আত্মপ্রকাশ করছেন ‘লা-মাযহাব’ নাম নিয়ে এবং তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ওহাবী গোষ্ঠী। জানতে ইচ্ছা হয় এরা কেমন মুসলমান? কিংবা কেমন মুসলমান ছিলেন মুয়াবিয়ার পুত্র ইয়াজিদ?

আমরা প্রসঙ্গক্রমে এমন বলে থাকি, এটা না দেখে বিশ্বাস করি না বা ওটা না শুনে বলতে পারি না ইত্যাদি। যদি এমনই হয় যে, বিশ্বাসও শুধু দেখা বা বাস্তব জিনিসের প্রতি তাহলে অদেখা বস্তুর প্রতি বিশ্বাসও কীভাবে হবে? বিশ্বাসও এক অদেখা বস্তু। প্রতিনিয়ত বাতাস বইছে কিন্তু বাতাসকে আমরা দেখতে পাই? পাই না, শুধু অনুভব করতে পারি। আর অদেখাকে যতই বলি অবাস্তব আবার তা-ই যখন বাস্তব রূপে প্রতিয়মান হয় তখন লজ্জা পেতে হয় কি না? সত্য যেমন লুকানো যায় না, ইসলাম ধর্মে তাসাউফ, সূফীবাদ বা আধ্যাত্মবাদ এমনই একটি অর্ন্তনিহিত সত্য অধ্যায়ের নাম যা দেখা যায় না, অনুভবের শক্তি দিয়ে বুঝতে হয়। তাই তো মরমী কবি সাধকগণ বলেন, ‘…সবে মাত্র একটি খুঁটি/ খুঁটির গোড়ায় নাই কো মাটি/ কিসে ঘর রবে খাঁটি? ঝড়-তুফান এলে পরে…!’ এ খুঁটি হলো ‘ঈমান’ যার গোড়ায় মাটি বা ঢালাই নেই, শূন্যে হাওয়ায় অস্তিত্বহীন উড়ছে তাকে অস্তিত্ববান করা কি এতই সহজ? মোটেও না। এই অস্তিত্বহীন ঈমানকে যারা বিশ্বাসের জোরে অস্তিত্ববান করতে পেরেছেন কেবল তাদের ঈমানই শক্ত ও সামর্থবান তখন তাতে শত ঝড়-তুফানের আঘাত লাগলেও ভেঙে পড়ে না। ঈমানকে মজবুত করতে হলে আল কোরআনের হুকুম মতে প্রত্যেক নারী-পুরুষকে কামেল পীরওমুর্শিদের কাছে দীক্ষা নিতে হবে। কেননা নিজেকে না চিনলে অদেখা বস্তু বা ব্যক্তিকে চেনা যায় না। মৌখিক আলাপের মাধ্যমে সামান্য জানা-শোনা হলেও বিস্তারিত চেনাজানা কখনোই সম্ভব না। অন্যকে জানতে হলে আগে নিজেকে জানতে হয় তাই যারা রাসুল (সঃ)কে দেখিনি তাঁর বাণীকে মাথায় রেখে ইসলামের গভীর তত্ব ও তথ্য সূফীবাদ তথা এলমে তাসাউফের আদর্শের পথে যাঁরা চলছি মৃত্যুকালে তাদের কোনো ভয় নেই।

সারাপৃথিবীর কোটি আশেক-জাকেরের প্রাণাধিক প্রিয় পীরওমুর্শিদ খাজাবাবা কুতুববাগী পীর কেবলাজান বলে থাকেন, শরিয়ত, তরিকত, হাকিকত ও মারেফত এ চারটি বিষয় নিয়ে গঠিত ধর্ম হলো প্রকৃত ইসলাম। যারা বলেন, ইসলাম ধর্মে সূফীবাদ নেই, তারা যতই নামাজ নামাজ করুন না কেন, নামাজে তাদের লক্ষ্য ঠিক থাকতেই পারে না। থাকার কথাও না, নামাজে দাঁড়ালেই শয়তান এসে রাজ্যের হাবিজাবি কথা তাদের মনে করিয়ে মনকে এদিক সেদিক নিয়ে যায়, আর এটাই শয়তানের কাজ। কিন্তু আমাদের কাজ নড়বড়ে মনকে শক্ত করে কলবের মধ্যে খেয়াল (ধ্যানস্থ) স্থাপন করে নামাজ আদায় করা, তবেই শয়তানের ‘ওয়াছ ওয়াছা’ থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। সূফীবাদের শিক্ষা-দীক্ষা বা ধ্যানজ্ঞান ছাড়া নামাজে এ ধরণের একাগ্রতা অর্জন করা অসম্ভব।

আমরা নানান পথে, নানান মতে খুঁজে ফিরি এক আল্লাহর দীদার। হাকীকি প্রেমের মধ্য দিয়ে আল্লাহর সন্ধান মেলে। আল্লাহকে বিজ্ঞান আর শরিয়তের অজস্র জ্ঞান ভান্ডার দ্বারা খুঁজলে পাওয়া যাবে না। খাজাবাবা কুতুববাগী পীর-কেবলাজান বলেন, ‘যেখানে বিজ্ঞানের শেষ সেখান থেকে এলমে লাদুন্না বা আধ্যাত্মিকতার জ্ঞান শুরু।’ বস্তুগত বিজ্ঞানের সঙ্গে সূফীবাদের ব্যবধান: বিজ্ঞান শুধু বস্তুবাদে বিশ্বাস করে, আর সূফীরা আত্মিক সাধনার শক্তিতে পরমাত্মার অবস্থান নির্ধারণ করে আনন্দের সঙ্গে স্রষ্টার স্বর্গীয় সুঘ্রাণ অনুভব করেন। সেখানে বস্তু বা বাস্তবিকতার তর্ক অবান্তর। এ লেখা পড়ে কেউ নিজ নিজ নফসকে পরিশুদ্ধ করার তাগিত অনুভব করেন তবে রাসুল (সঃ)-এর সত্য তরিকার অন্যতম শিক্ষা ও দীক্ষালয় কুতুববাগ দরবার শরীফে আসুন। তরিকা ভালো না এ কথা ভেবে ভেবে আর কত সময় অপচয় করবেন? সময় থাকতে কামেল পীরের ‘উসিলা’ নিয়ে আপন পথ খুঁজে নিন। বিনয়ের সাথে আরেকটি কথা বলি, অদেখা, অচেনা, অজানা কোনো ব্যক্তি ‘উসিলা’ হতে পারেন না, সরাসরি দেখা বা চেনা-জানা ব্যক্তিই ‘উসিলা’ হতে পারেন। শেষে কথা হলো বিনা উসিলায় কারো মুক্তির কোনো উপায় নেই।

(Visited 16 times, 1 visits today)
Share

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *