মুর্শিদকে পেয়ে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া

রাহাত খান

লেখক পরিচিতি: জনাব রাহাত খান একজন বিশিষ্ট সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবি। তিনি বর্তমানে উপদেষ্টা সম্পাদক হিসাবে “দৈনিক বর্তমান” পত্রিকার  সঙ্গে সংযুক্ত আছেন।

(কুতুববাগ দরবার শরীফের মহাপবিত্র ওরছ ও বিশ্ব জাকের ইজতেমা গত ১২, ১৩, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৪-এর আখেরি মোনাজাতের আগে ক্বেবলাজানের কাছে বাইয়াত (শিষ্যত্ব) গ্রহণ করার পরে তাঁর আত্মিক পরিবর্তন এবং ব্যক্তিগত উপলব্ধির কিছু কথা এভাবেই সংক্ষেপে উপস্থাপন করেন, এই বিশিষ্ট সাংবাদিক এবং ‘সাহিত্যিক। তা-ই হুবহু  “মাসিক আত্মার আলো” জুন, ২০১৪ তে প্রকাশ করা হলো। )

যাঁরা মঞ্চে উপবিষ্ট ও মঞ্চের বাইরে আছেন, তাঁদের সবাইকে আমার শ্রদ্ধাবনত সালাম। আমি কুতুববাগী ক্বেবলাজানের কাছে পৌঁছাতে পেরেছি সে জন্য মহান আল্লাহর দরবারে লাখ শুকরিয়া। বন্ধুগণ! আমি তো আসলে যাঁরা বুজুর্গ ব্যক্তি, যাঁরা আল্লাহর কাজ করেন, রাসুলুল্লাহর গুণকীর্তণ করেন, আমি সেই পরিভাষায় কথা বলতে পারব না। শুধু আমার নিজের কথাটুকু বলি। আমি কৈশোর এবং যৌবনের মূল্যবান সময় অনেক অপচয় করেছি। তারপর আমার সৌভাগ্যক্রমে আমি কীভাবে আমার মুর্শিদ ক্বেবলাজান, পথপ্রদর্শক খাজাবাবা কুতুববাগীর কাছে এসে হাজির হয়েছি, সে কথাও একটু বলতে হয়। আমার অনুজতুল্য সহকর্মী সাংবাদিক, কবি নাসির আহমেদের মাধ্যমে বাবার কাছে আসি। নাসির প্রায় এক যুগের বেশি সময় ধরে ক্বেবলাজানের ভক্ত-আশেক। তাঁর মুখে কুতুববাগীর কথা শুনে আমারও ইচ্ছে হলো এমন বুজুর্গ ব্যক্তিত্বের সান্নিধ্যে যেতে হবে। তার মাধ্যমেই আল্লাহপাক আমাকে এই দরবার শরীফে এনেছেন আমি বিশ্বাস করি। তা না হলে, আমার মতো একজন মানুষ এখানে এসে কীভাবে ক্বেবলাজানের দোয়া এবং ভালোবাসা লাভ করতে পারছি। আমি শুধু এটুকু বলবো এই দরবার শরীফ হবে বাংলাদেশের সবচেয়ে সেরা দরবার শরীফ। আমি বাবাজানের মধ্যে এমন গুণ দেখেছি, যেগুলো আল্লাহ প্রদত্ত এবং আমি দেখেছি বাবাজান অন্তর থেকে যা বলেন, আল্লাহ তা কবুল করেন। সোবহান আল্লাহ! আমি এখন শিক্ষার্থী, আল্লাহকে বোঝার চেষ্টা করছি, নিজেকে জানার চেষ্টা করছি, আমার কা-ারি আমার ক্বেবলা আমার মুর্শিদ হজরত জাকির শাহ্ কুতুববাগী ক্বেবলাজানের কাছে। আপনারা সবাই আমাদের ক্বেবলাজানের দীর্ঘায়ু কামনা করবেন আল্লাহর কাছে। তিনি যেন হাজার বছর বেঁচে থাকেন। যারা সংশয়বাদী, যারা আল্লাহর রাস্তা থেকে ছিটকে পড়েছেন, তাদের যেন সুপথে নিয়ে আসতে পারেন, সেই ঐশ্বরিক ক্ষমতা বাবাজানকে আল্লাহ দয়েছেন। তাই যারা বিপথে চলে গেছেন তাঁদের কাছে আমি আহ্বান করব আপনারা আসুন কুতুববাগ দরবার শরীফে। খাজাবাবার হাতে কোরআন-হাদিস অনুসারে বাইয়াত গ্রহণ করুন। আপদ-বিপদ, বালা-মুসিবত থেকে রক্ষা এবং নিজের অন্তর-আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে একজন সত্যিকারের মানুষ হিসেবে, হাশরের ময়দানে আল্লাহর সামনে দাঁড়ানোর জন্য নিষ্পাপ হয়ে যান। আমি এই কথা বলে বাবাজানকে আমার প্রাণের ভালোবাসা, প্রাণের শুভেচ্ছা এবং আমার যা কিছু আছে সবকিছু তাঁর কাছে সমর্পণ করে আমি আপনাদের কাছ থেকে বিদায় নিচ্ছি। আস্‌সালামু আলাইকুম।

(Visited 215 times, 1 visits today)
Share